allBanglaNewspapers

Anandabazar Potrika

Readers Tagged us as:
www anandabazarpotrika com,anandabazarpotrika,anandabazar,anandabazar potrika com,anandabazarpotrika com,www anandabazarpotrika,potrika,www anandabazar com,anandabazar archive,anandabazar com,anandabazar potrika,www anandabazar com/golpo html,www anandabajarpotrika com,Anandabajar potrika com,bangla news24march2014,ananda bazar,anandabazar paper rashifal,anandabazar patrika epaper,news paper anada bazer,31 03 2014 bengali ananda bazaar news paper,archives of annandabazar,www anandabazar patrika,anandabazar archive 2014,ananda bazar patrika,all potrika,anondo bajar potrika com,bangla potrika mymensingh,anandabazarpotrika in,www anandabazarpotrika co,www anandabazar potrika com

8 comments to Anandabazar Potrika

  • Anonymous

    হিন্দু দাদারা সবাই এক হও আর বাস্তবতা জানুন ।খবরে শুনলাম ভারতের এক মুসলিম কর্মচারীকে ভুল করে রুটি খাওয়ানোর দায়ে শিব সেনাকে সন্ত্রাসী বলে আখ্যা আর সেটা ভারতের মিডিয়া ভাল করে প্রচার করছে আর এই দিকে সোনার বাংলায় সিলেটে (বাংলাদেশ) অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ১০৮তম বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে হিন্দু ছাত্রীদের জন্য খাসি ও মুর্গির মাংস আলাদা ভাবে থাকার কথা ছিল কিন্তু পরিকল্পিত ভাবে গরুর মাংস খাওয়ায়। এঘটনা জানুয়ারী, ২০১২এর ঘটনা, দৈনিক স্টেটসম্যান, ০২/০১/২০১২। এই খবর কি মিডিয়া এসেছে তা ছাড়া প্রতিদিন হিন্দু নির্যাতন , ধর্ষণ , ধর্মাঅন্তর করা , বাড়ি , ঘর , মন্দিরে আগুন দেওয়া সহ অনেক দেশদ্রোহী কাজ হচ্ছে আর সেটা কি বাঙ্গালার মিডিয়া প্রকাশ করেছে ?? ১৫ মার্চ, ২০০৫ বৃটিশ পার্লামেন্টের বৈদেশিক বিষয়ক সিলেক্ট কমিটি তার রিপোর্টে জানাচ্ছে যে বাংলাদেশে ধর্ষিতা রমণীদের মধ্যে ৯৮.৭% হিন্দু যদিও সেদেশের শতকরা ১০এরও কম মানুষ আজ হিন্দু ধর্মাবলম্বী যা প্রছন্নভাবে প্রমাণ দেয় যে সেখানে হিন্দুদের অবস্থা হিটলারের নাজী জার্মানির থেকেও খারাপ। শুধু ২০০১ সালেই ২ কোটির মধ্যে ৪০ লক্ষ হিন্দু আক্রান্ত, ১৪৩০ এর উপর হিন্দু মহিলা গণধর্ষিতা, ৩৮০০০ পরিবার বাস্ত্যুচূত, ১৫৫ মন্দির ধ্বংস ও ৪৫৮১ হিন্দু ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ভস্মীভূত করা হয়।রাজাবাজারে হাত-পা কাটা হিন্দু মেয়েদের চুল দিয়ে বেঁধে উলঙ্গ করে সব ঝুলিয়ে রেখেছিল। – প্রাক্তন পঃবঃ পুলিশের ডি জি, গোলক বিহারী মজুমদার,আই পি এস, ‘ছেচল্লিশের আতঙ্কের দিনগুলি’ (১৯৪৬এর কলকাতা গণহত্যা)।• নোয়াখালিতে গেলাম ১৯৪৬ খৃঃ এ স্বেচ্ছাসেবকের কাজে, সেখানে অনেক হিন্দু মহিলাদের মাটিতে চিৎ করে শুইয়ে মুসলিম লীগের গুণ্ডারা পায়ের বুড়ো আঙ্গুল দিয়ে সিঁথির সিঁদুর মুছে দিয়ে হাতের শাঁখা ভেঙ্গে তাদের স্বামী ও পুত্র-কন্যাদের হত্যা করে ওই হিন্দু মহিলাদের জোর করে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করে লীগ গুণ্ডারা বিয়ে করত। – রবীন্দ্রনাথ দত্ত, ‘দ্বিখণ্ডিত মাতা, ধর্ষিতা ভগিনী’, পৃঃ ৫।• ভোরের সঙ্গে সঙ্গে হাওড়া পোল পার হয়ে হাওড়া থেকে দলে দলে আস্তে শুরু করল মারাত্মক অস্ত্র সজ্জিত অবাঙ্গালী মুসলমান গুণ্ডা এবং স্থানীয় মুসলমান গুণ্ডা মিশে গেলে চৌরঙ্গী-চিৎপুরে অপেক্ষমাণ সৈনিকদের সঙ্গে শুরু হল প্রলয়কাণ্ড …… আগুনে জ্বলতে লাগল হিন্দুর স্থাবর অস্থাবর সবকিছু। – ‘দি লাস্ট ডেস অব বৃটিশ রাজ’, লিওনার্ড মোসলে।• দাঙ্গায় পাকিস্তানে ৫০ হাজার হিন্দু-শিখ মহিলার গর্ভপাত করা হয় ও ৭৫ হাজার শিশুকে গোপনে হত্যা করা হয়। – উর্বশী বুটালিয়া, দ্যা আদার সাইদ অব সাইলেন্ট ভয়েস ফ্রম দ্যা পার্টিশন অব ইন্ডিয়া। নোয়াখালি হিন্দু নিধনের পরে সরকার এডওয়ার্ড স্কিপার সিম্পশন নামক প্রাক্তন বিচারপতি দিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করে। রিপোর্টে বলা হচ্ছে এক এলাকার তিনশোর বেশী এবং অপর এক এলাকায় চারশোর বেশি হিন্দু রমণীকে ধর্ষণ করা হয়।• দুহাজার আট সালে বাংলাদেশের সেকুলার সরকার ক্ষমতায় এলেও বাংলাদেশের অবস্থায় বাস্তবিক কোন পরিবর্তন আসেনি। বাংলাদেশে প্রতিবছর গড়ে ষোল হাজার হিন্দু মহিলা অপহৃত হন এবং বাধ্য হয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করছে। দুহাজার এগারো সালে এখনো এই সংখ্যা কমেনি বটে। বাংলাদেশের সাংবাদিক, সাহিত্যিক ও চিত্র পরিচালক এবং উইক ব্লিজ পত্রিকার সম্পাদক সালাউদ্দিন শোয়েব চৌধুরীর সাক্ষাৎকার, আমার দেশ পত্রিকা, ১৯/০৩/২০১১,ঢাকা।• হিন্দু জাতির স্বত্ব ও স্বাধীনতার উপর যে সকল আক্রমণ হইতেছে সর্বপ্রকার উপায়ে তাহার প্রতিরোধের জন্য হিন্দুদিগকে একতা বধ্য হইতে বললে কোন অপরাধ হয়, ইহা আমরা মনে করি না। – ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়,হান্ডবিল, ২৭/১০/১৯৪৫।• আসামে বাঙ্গালী হিন্দু উদ্বাস্তু যারা ইসলামিক বাংলাদেশ থেকে এসেছে তাদের ডি (ডাউটফুল বা সন্ধেয়জনক) ভোটার বলে চিহ্নিত করা হচ্ছে। স্মরণ থাকতে পারে আসাম থেকে রাজ্যসভায় নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং বিরোধী কংগ্রেস নেতা হিসেবে ভাষণে (১৮/১২/২০০৩) বলেছিলেন ভাগ্যহীন হিন্দুদের নাগরিকত্ব প্রদানের প্রক্রিয়াকে অধিকতর সহজ করে তোলা উচিত।• যখন মুসলমানরা প্রথমে এদেশে এসেছিল তখন প্রবীনতম মুসলমান ঐতিহাসিক ফেরিস্তার মতে ভারতে তখন ৬০ কোটি হিন্দু ছিলেন এখন আমরা ২০ কোটিতে পরিণত হয়েছি। – স্বামী বিবেকানন্দ, “প্রবুদ্ধ ভারত”, এপ্রিল ১৮৯৯হিন্দুপ্রধান রাজ্যে মুসলমান-খৃষ্টান হয়েছে যেমন বিহারে আব্দুল গফুর,মহারাষ্ট্রে আব্দুর রহমান আন্তুলে, রাজস্থানে বরকতুল্লা, আসামে আনোয়ারা তৈমুর, কেরালায় এন্টোনি, কর্ণাটকে অস্কার ফার্নান্ডেজ, ইত্যাদি কিন্তু হিন্দু সংখ্যালঘিষ্ঠ রাজ্যে যেমন কাশ্মীর, নাগাল্যান্ড, মেঘালয়, মিজোরাম এ কখনো হিন্দু মুখ্যমন্ত্রী হয়নি বা ভবিষ্যতে হওয়ার সম্ভাবনাও নেই।

  • Anonymous

    মৃত্যুঞ্জয় আজ মৃত্যু শয্যায়এসব কি হচ্ছে? মৃত্যুঞ্জয় আজ মৃত্যু শয্যায়এসব কি হচ্ছে? মিরাক্কেলের নতুন সিজেন শুরু হওয়ার আগেই মির বেজন্মমা শুরু করে দিল হিন্দু ধর্মের দেব দেবীদের নিয়ে ব্যাঙ্গ করা তাহলে মিরাক্কেল শুরু হলে কি হবে?সম্প্রতি মিরাক্কেলের একটি অ্যাড জা আমাদের হিন্দু ধর্মকে অত্তনত্ত নিচু করা হয়েছে, অ্যাড টি এইরকম_আমরা যখন বিপদে পড়ি তখন ভগবানকে বলি,Oh my GOD.কিন্তু,ভগবান যখন এরকম পরিস্থিতিতে পরে তখন কি বলে জানেন?বলে,Oh my Rajatava Dutta!!!…….ভজ রজতাভ লহ রজতাভ করো রজতাভের নামরে…….!কৈ কোনোদিনও তো দেখলাম না মিরজাফর মির কে আল্লা,নবি,আয়শা,ফাতেমা,খাদিজা এদের নিয়ে ব্যাঙ্গ,কমেডি করতে? তা কেন করবে,জাত টাই তো নির্লজ্জ,বেহায়া, সন্ত্রাসী,তালেবানের জাত, এরা ভিন্ন ধর্মিদের ব্যাঙ্গ করতে ভালবাসে কিন্তু ওদের ধর্মকে নিয়ে টু শব্দটি করলেই লুঙ্গি খুলে জিহাদ জিহাদ বলে চেঁচাবে শালা বেজন্মমা গুলো।কলকাতার সেকুলার হিন্দুরা নাহয় মুসলিমের পা চাটতে ব্যাস্ত কিন্তু কলকাতার কট্টর হিন্দুরা কি শালা মজা নিচ্ছে মির কুত্তার মিরাক্কেলের?কোথায় গেল আরএসএস,শিব সেনার দল?না এঁরাও সেকুলার্দের মত দিন দিন মুসলিম তোষণে ব্যাস্ত হয়ে পরেছে।Collectedর নতুন সিজেন শুরু হওয়ার আগেই মির বেজন্মমা শুরু করে দিল হিন্দু ধর্মের দেব দেবীদের নিয়ে ব্যাঙ্গ করা তাহলে মিরাক্কেল শুরু হলে কি হবে?সম্প্রতি মিরাক্কেলের একটি অ্যাড জা আমাদের হিন্দু ধর্মকে অত্তনত্ত নিচু করা হয়েছে, অ্যাড টি এইরকম_আমরা যখন বিপদে পড়ি তখন ভগবানকে বলি,Oh my GOD.কিন্তু,ভগবান যখন এরকম পরিস্থিতিতে পরে তখন কি বলে জানেন?বলে,Oh my Rajatava Dutta!!!…….ভজ রজতাভ লহ রজতাভ করো রজতাভের নামরে…….!কৈ কোনোদিনও তো দেখলাম না মিরজাফর মির কে আল্লা,নবি,আয়শা,ফাতেমা,খাদিজা এদের নিয়ে ব্যাঙ্গ,কমেডি করতে? তা কেন করবে,জাত টাই তো নির্লজ্জ,বেহায়া, সন্ত্রাসী,তালেবানের জাত, এরা ভিন্ন ধর্মিদের ব্যাঙ্গ করতে ভালবাসে কিন্তু ওদের ধর্মকে নিয়ে টু শব্দটি করলেই লুঙ্গি খুলে জিহাদ জিহাদ বলে চেঁচাবে শালা বেজন্মমা গুলো।কলকাতার সেকুলার হিন্দুরা নাহয় মুসলিমের পা চাটতে ব্যাস্ত কিন্তু কলকাতার কট্টর হিন্দুরা কি শালা মজা নিচ্ছে মির কুত্তার মিরাক্কেলের?কোথায় গেল আরএসএস,শিব সেনার দল?না এঁরাও সেকুলার্দের মত দিন দিন মুসলিম তোষণে ব্যাস্ত হয়ে পরেছে।Collected

  • Anonymous

    একটু ভাবা দরকার আমাদের , একটু জানার দরকার আমাদের ………………।বিজেপির আগে যে সরকার দীর্ঘ দিন রাজত্ব করে চলেছিল সেই সরকার যথেষ্ট ভাবেই হিন্দু বিদ্বেষী , দেশ সম্পদ লুণ্ঠনকারী , এবং ষড়যন্ত্র কারী ছিল এবিষয়ে যথেষ্ট প্রমাণ আজ সারা ভারতবাসীর কাছে আছে । তাই রাজনৈতিক ভাবে কংগ্রেস সরকারের পতন ঘটেছিল । এটা সবার আগে বিজেপি তথা ভারতের বিরোধী পার্টী সদস্য দের জানতে হবে । প্রমাণ জোগাড়ে নাগরিকরা অক্ষম হলে আমাদের মতো দেশবাসী যথেষ্ট সংখ্যাগুরু আজ ,তাই সাহায্য পেতে অসুবিধা হবে না । মোদীজী যখন বিজেপির পক্ষ থেকে নাগরিকেদের কাছে ভোট চেয়েছিলেন তখন তিনি প্রধানমন্ত্রী পদের দাবিদার ছিলেন মাত্র । কিন্তু আজ তিনি ভারতের সবথেকে চর্চিত প্রধান মন্ত্রী । পূর্বের সরকারের সব রকম অনৈতিক কাজকর্ম , বিদেশী নীতি, আগের সরকারের ভুলভ্রান্তি, আন্ত্রজাতিক চাপ , এসব সম্পূর্ণ নতুন তার কাছে । আজও বোকা হিন্দুদের বোঝানো হয় গোধরা কাণ্ডের জন্য দায়ী মোদী , মোদী কট্টর হিন্দু, মুসলিম হত্যাকারী । আন্ত্রজাতিক স্তরে এই মতামত এমন ভাবে কংগ্রেস ও তার সহযোগী দলেরা প্রকাশ করেছে যে আজ সারা পৃথিবী ভারতের দিকে তাকিয়ে । এই আন্তর্জাতিক বরাহনন্দন রা জানে যদি ভারত তার প্রতিবেশী দেশকে সাহায্য নাকরে তবে যুদ্ধের দরকার নেই তারা এমনি না খেয়ে মারা যাবে । বড় বড় ব্যবসাদার বিদেশী কম্পানী কে যদি ভারত না সাহায্য করে তবে তাদের ব্যবসা লাটে উঠতে বেশী সময় লাগবেই না । কারণ আজ-ও ভারত ছাড়া সম্পুন এশিয়াতে ব্যবসায়িক করিডর অসম্ভব । তাই তারা নিজেদের স্বার্থে গ্যাট চুক্তি তে সই করতে বাধ্য করলো ভারতকে । এবার প্রশ্ন হতেই পারে আন্তর্জাতিক স্তরের চাপের কাছে কেন ভারত মাথা নত করলো ? …………… অনেক গুলো কারনের মধ্যে একটি কারণ হল জ্বালানি ও যুদ্ধাস্ত্র । আজও ভারতকে এই জ্বালানীর জন্যই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে মুসলিম তোষণ করতেই হয় । অর্থাৎ যে দুর্বলতার সুচনা জহরলাল নেহেরু করেছিলেন তা আজ ভয়ঙ্কর রোগে পরিণত হয়েছে । ষড়যন্ত্র গান্ধী পরিবারের মজ্জাগত । সেই ষড়যন্ত্র যা ভারতের ঐক্যতায় ঘুন ধরিয়ে দিয়েছে । আপনারা অনেকেই জানেন বা জানেন না যে কংগ্রেস সরকার জানত এবার তাদের সরকার হবে না । তাই তারা অনেক আগেই দাঙ্গা বিরোধী বিল আনতে চেয়েছিল কিন্তু বিজেপির এবং দেশভক্তদের সবল প্রতিবাদের সেই বিল টি পাশ হয় নি । তাতে কংগ্রেসের মনোভাব বুঝতে খুব সাধারণ মানুষের -ও অসুবিধা হয় না । গৃহযুদ্ধে ভারতকে শেষ করাই মূল উদ্দেশ্য ছিল । কংগ্রেস এবং তার সহযোগী দের দ্বারা পশ্রয়ে বেড়ে উঠা কিছু হিন্দু বিরোধী সংগঠনের নাম নীচে দিলাম ।1. MSCA- Muslim Security Council of Assam.2. ULMA- United Liberation Militia of Assam.3. ILAA-Islamic Liberation Army of Assam.4. MVF- Muslim Volunteer Force.5. MLA- Muslim Liberation Army.6. MSF- Muslim Security Force.7. ISS- Islamic Sevak Sanng.8. IURPI-Islamic United Reformation Protest of India.9. RMC- Revolutionary Muslim Commandos.10.MTF- Muslim Tigers Force.11.MLF- Muslim Liberation Front.12.MLTA- Muslim Liberation Tigers of Assam.13.MULFA- Muslim United Liberation Front of Assam.14. MULTA-Muslim United Liberation Tigers of Assam and more……The Muslim fundamentalist Organisations of Manipur included:1.INF- Islamic National Front.2.UILA-United Islamic Liberation Army.3.UIRA- United Islamic Revolutionary Army.4.PULF- People`s United Liberation এতো গেল আসাম এবং মনিপুরে শুধুমাত্র । এছাড়া ভারতে বিভিন্ন সংগঠন আছে । ভারতে সবার আগে পশ্চিমবঙ্গ কেই আলাদা করতে চায় । ধীরে ধীরে সেই দিকেই নিয়ে চলেছে আমাদের বাংলার রাজনীতিজ্ঞ রা । আমরা অপশাসনের বিরুদ্ধে কিছুতেই সোচ্চার হতে পারছি না । দলদাস তন্ত্র আমাদের মজ্জা গত হয়ে গেছে । ( জানতে চাইলে চলবে , তাই আপনাদের কমেন্ট এবং জানার আগ্রহ প্রকাশ করুন )

  • Anonymous

    সেকু দাদারা অসাম্প্রদায়িকতা কাকে বলে একটু বুঝিয়ে বলবেন কি ? মন্দিরে পূজা দিলে যদি মোদিকে সাম্প্রদায়িক হতে হয় তবে মন্দিরে না যেয়ে মুসলিমদের জন্য ইফতার পার্টি দেয়া , ঈদের শুভেচ্ছা জানানো , মমতার নামাজ পড়া বা দেবের টুপি পড়া এটা কি তবে অসাম্প্রদায়িকতা । মোদির মন্দিরে যাওয়া নিয়ে ভালই লেখালিখি করলেন । কিন্তু আপনারা মীরাটের সেই মেয়েটিকে নিয়ে কত কলম লিখেছেন একটু বলবেন কি ??আপনাদের কাছে কি অসাম্প্রদায়িকতার ভাল কোন সঙ্গা পাওয়া যাবে ?

  • Anonymous

    ইয়াজিদি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্তত ৫শ’ সদস্যকে হত্যা করেছে আইএস সুন্নী ইসলামিক জঙ্গিরা। নারী ও শিশুসহ কয়েকজনকে জীবিত কবর দিয়েছে তারা। ধরে নিয়ে গেছে ৩০০ নারীকে ।। পরে ধর্ষন করে ধর্মান্তরিত করেছে। আজ মানবতা বাদীরা কোথায় ??? অনেক হিন্দু মুসলিম কে দেখেছিলাম গাজায় মানুষের হত্যা দেখে অনলাইনে কান্নাকাটিকরতে। আমার পোস্টে ও অনেকে বাজে কমেন্ট করেছিল ।মানবতার নামে মাটিতে গড়াগরি খেতে আজ আপনারা কোথায় ??আপনাদের মানবতা এখন কোথায় হারিয়ে গিয়েছে ?? নাকি মানবতার মূখোশপড়া আপনারাই জঙ্গিদের মদদদাতা ???জাতির বিবেকের কাছে প্রশ্ন রইল …………………।।

  • Debabrata Biswas

    Jai sree ram. Aro khabar hindu dharmar sanmandha din aban muslimder kukirtya gulo alachana korun jai sree ram.

  • Anonymous

    Ami Holam Parashuramকিভাবে যে কোন দেশে ইসলামী করন হয় ? জানুন এবং সকল মানুষ কে জানান । ১ ) মুসলিম জন্মসংখ্যা অমুস্লিম দেশগুলো তে, অন্য যে কোন জাতির জন্ম সংখ্যার হারের তুলনায় দ্বিগুণ হারে বারায় । যার ফলে সেই দেশের অর্থাবস্থা বা ইকোনামী ধংসবের কারণ হয়ে দাড়ায় । ২ ) মুসলিম আবাদি পড়াশোনার প্রতি কখনোই রুচি রাখে না । গনিত , বিজ্ঞান , ইংরেজি , জানুক বা না জানুক কোরান অবশ্যই জানে । আর কোরানের অর্থ সে কোন সভ্য মানুষকে বিব্রত করবেই, যে সব সভ্য মানুষ এখন কোরান পড়েনি তাদের বলব , নিরপেক্ষ ভাবে এই বই টি পড়ুন । ৩) অধিকাংশ মুসলিম রা যে সব ব্যবসা করে তা সমাজের হিতকর নয়। যেমন ট্যানারির ব্যবসা , এর বজ্র পদার্থ নদীতে গিয়ে পরে যার ফলে জলে আর্সেনিকের মতো নানা ন বিষ জলের ভারসাম্য নষ্ট করে ।৪) মুসলিমদের মাংসের দোকানে র আশপাশে যে কোন রোগের জীবাণু আপনি পাবেন । যে কোন প্রাণী হত্যা অন্ন ও পানীয় জলের সংকটের মূল কারণ ।৫) যেখানে মুসলিম রা থাকে সেখানে তারা সংগঠিত ভাবে থাকে এবং অমুসলিমদের যে কোন ভাবে তারা থাকতে দেয় না । ১০০ হিন্দুর মাঝে একটি মুসলিম পরিবার থাকতে পারে কিন্তু ১০০ মুসলিম দের মাঝখানে একটি ও হিন্দু পরিবার থাকতে পারে না । ৬) সংগঠিত মুসলিম রা হিন্দুদের অকারণে ঝগড়া করে এবং তাদের সম্পত্তির উপর কব্জা করে ,এর প্রমাণ কাশ্মীর , ইন্দনেশিয়া , পাকিস্তান , বাংলাদেশ । তথ্যাদি দেখলে অবাক হয়ে যাবেন নিসন্দেহে । ৭) পরিবারের অধিক সদস্য সংখ্যা হওয়ার দরুন ছোট ছোট অপরাধ সংগঠিত হয় । যেমন অনৈতিক কব্জা করা , বিদ্যুৎ চুরি , নেশার নানা পদার্থের ব্যবসা করা ইত্যাদি ইত্যাদি । এই ছোট ছোট অপরাধ খুব তারাতারি বড় অপরাধের সঙ্গে যুক্ত হয় । এই বড় বড় অপরাধী কখন কখন এই ছোট ছোট বস্তি থেকে আসে তার প্রমাণ টাইগার মেমন , দাউদ ইব্রাহিম , কাসকার না জানি আরও কত । 8) বড় অপরাধীরা দেশের ছোট ছোট ঘটনা ঘটায় না , তারা দেশের কোটি কোটি প্রান টাকার লোকসান করায় । যেমন স্ট্যাম্প ঘোটালা , হাওলাকাণ্ডের প্রমুখ আব্দুল করিম তেলগি ১০,০০০ কোটি টাকা , হাসান আলি ৩৬,০০০ কোটি টাকা ইত্যাদি এইসব টাকা ইসলামি দেশ গুলোতে পাঠাতে থাকে । সেখানে আতঙ্কবাদীদের প্রশিক্ষণের জন্য খরচ হয় । সেই সব আতঙ্কবাদিরা ভারত সহ বিভিন্ন দেশে হানা দেয় । ৯) এই মুসলিম রা অমুসলিম দেশে সংগঠিত অপরাধ লুঠ , হত্যা , অপহরণ , ধর্ষণ করে এবং এগুলিকে ধার্মিক কর্তব্য হিসাবে মানে । এ ছাড়াও অশিক্ষিত, অসভ্য মুসলিম ছেলেদের নানা উপায়ে জেহাদের তালিম দেয়,এবং কাফের কে লুঠ,হত্যা করা প্রত্যেক ইসলামির একমাত্র কর্তব্য এটা মগজধোলাইয়ের মাধ্যমে ধুকিয়ে দেওয়া হয় । ১০) কোরান পড়া বেকার , অশিক্ষিত ছেলেদের সহজেই জেহাদের জন্য তৈরি করা হয়, তাদের বোঝান হয় এটা তাদের সৌভাগ্য । ১১ ) এই সব জেহাদিরা দেশে বোমাবিস্ফোরণ সহ নানান হত্যা সংগঠিত করে । হিন্দু মুসলিম দের দাঙ্গাকে কিছু লোক সামান্য গোষ্ঠী-সংঘর্ষ বলে চালানো , এবং বোমবিস্ফোরণ কে ইসলাম বা মুসলমানেদের এতে কোন হাত নেই বরং সন্ত্রাসবাদী দের কারসাজি বলে চালানো হয় । কিন্তু তারা সবাই জানে যে , এটাই ধর্মযুদ্ধ ইসলামের । ১২) যদি অমুসলিম কোন দল সংগঠিত হয়ে এদের জবাব দেয় তবে এরা সারা পৃথিবীর কাছে প্রমাণ করতে উঠে পরে লাগে, যে সেই দেশে তারা সুরক্ষিত নয় তাদের উপর অত্যাচার হছে । ১৩ ) মুসলিম রা সংগঠিত এবং হামলাকারি বলেই নাস্তিক , স্বার্থপর , এবং ভীতু রাজনৈতিক দল নিজের ভোট বাঁচাতে এদের পক্ষ নেয় । যেমন , সমাজবাদী পার্টী , আমআদমি পার্টী , কংগ্রেস দল ইত্যাদি । ১৪) এইসব দলের নিজের ধর্ম,সংস্কৃতি বা আদর্শ বলে কিছু নেই , এরা মুসলিম সমর্থন পাবার পর ক্ষমতার লালসা এমনই বাড়তে থাকে যে এরা মুসলিম আবাদি বাড়ানোর জন্য উঠেপড়ে লাগে । এদের ষড়যন্ত্র বুঝেও স্বার্থসিদ্ধির লালসায় চুপকরে এদের সবরকম সাহায্য করে চলে , আর এদের দলদাসের দল ধর্মছাড়া হয়ে পদদলিত হয় এবং চুপ থাকে ।১৫) বাংলাদেশ থেকে আগত ৮কোটি মুসলিম কে কংগ্রেসস সরকার শুধু জমি, দিলেন না নানান অছিলায় ঘর , চাকরি ও করে দিলেন এবং যে ( আই , এম , টি ) আইন দ্বারা তাদের পাঠানো যেত সেটাও রদ করলেন । এবং তার ভয়ঙ্কর পরিণাম ভবিষ্যৎ বলবে । ১৬) আতঙ্কবাদীদের জন্য আইন করা তো দূর অস্ত যে আইন ছিল ( পোটা ) তা ও রদ করলো । ১৭) মুসলিমদের তোষণ করতে জেহাদিদের উচ্চন্যায়ালয় প্রাপ্ত সাজাকে আটকে রাখে । যেমন আফজল গুরুর ফাঁসি আটকে রাখা । ১৮) অমুসলিমদের (হিন্দু দের ) সেকুলার চিন্তা মুসলিম দের কাছে মূর্খতার , কাপুরুষতার পরিচায়ক এটা জেহাদিদের মনবল শক্ত করে এবং মুসলিম আবাদি বাড়াতে সাহায্য করে । ১৯) ধর্ম নিরপেক্ষতার আড়ালে এরা জেহাদ ছড়ায় যার নাম লাভজেহাদ এখানে আলাদা আলাদা জাতির মেয়েদের প্রেমের মাধ্যমে বিয়ে করে এবং বাচ্ছা উৎপাদনের মেসিনের মত কাজে লাগায় । পরে তাদের দুর্গতি কি হয় আমরা জানি । আজ সারা বিশ্বে লাভজেহাদ প্রমাণিত । ২০) এই লাভজেহাদিরা ৩-৪ হিন্দু বা খ্রিস্টান মেয়েদের ফুসলিয়ে বা প্রেমের দোহাই দিয়ে ভাগিয়ে নিয়ে যায়। মেয়ে রা যখন বুঝতে পারে তখন তাদের ফেরার পথ বন্ধ করে কোন বিকৃত কাম , বয়স্ক মুসলিম বা যে মুসলিমদের কদাকার দেখতে হওয়ার জন্য নিকা করতে পারে না তাদের বিক্রি করে দেওয়া হয় । এর জন্য বিদেশ থেকে টাকা ও আসে ।২১ )মুসলিম আবাদি বাড়ানোর সাথে সাথে ছোট ছোট ইসলামিক এলাকা তৈরি করে । যেমন কোন হিন্দু এলাকাতে বেশী দামে একটি বাড়ি কিনে নিয়ে সেখানে বড় বড় মুসলিম পরিবার একত্রে বসবাস শুরু করা । বা ব্যবসা ক্ষেত্রে একই ভাবে এলাকা দখল করা । এর টাকা অনুদান নামে বিদেশ থেকে আসে ।২২ ) মুসলিম লোকেরা আশপাশের লোকের সঙ্গে দিন রাত ঝগড়া করে এবং ধীরে ধীরে পড়শিদের সম্পত্তি সস্তায় বেচতে বাধ্য করে এবং সেই সম্পত্তি কিনে নেয় । ২৩) মুসলমান দের মসজিদ,মিনার বেশির ভাগ সময় শহরের বা রাস্তার উপর তৈরি হয় কারণ যে কোন সময় অবস্থার খারাপ হলে মসজিদ বা মিনারের আড়ালে প্রশাসনের উপর নজরদারি সম্ভব হয় এবং সময় বিশেষে পুলিশের উপর হামলা করা যায় । এর বহু প্রমাণ আছে সারা বিশ্বে এবং এই ভারতেও । ২৪) ছোট ছোট মুসলিম বস্তি শুধু সংগঠিত হয়ে অসামাজিক কাজ করে তাই নয় এদের ঘরে ঘরে হামলাকারী র হাতে দেশী পাইপগান , বন্ধুক ও সংরক্ষিত থাকে । ২৫) ভারতে নব-নির্মিত মুসলিম বস্তি অধিকাংশ রাজ্যের রাস্তার ধারে, বা জাতীয় সড়ক বা ট্রেন লাইনের ধারে তৈরী হয় । যেখানে অধিকাংশ সময় হাতিয়ার , অস্ত্র এসব সংরক্ষিত থাকে । গৃহযুদ্ধের সময় যাতে সুবিধা হয় , ঠিক বাংলাদেশের মতো । ২৬) যদি অমুসলিম দেশের আশেপাশে ইসলামিক দেশ হয় তবে সময় সময় ইসলামিদের নামে হামলা করা সুবিধাজনক হয়ে পরে । যেমন এখন ভারতে হয়ে থাকে । ২৭) ভারতের পাশের ইসলামিক দেশ এটুকু জানে যে তারা প্রত্যক্ষ যুদ্ধে পারবে না । তাই তারা ধীরে ধীরে সংগঠিত হচ্ছে এবং পরোক্ষ ভাবে ধর্মযুদ্ধে উৎসাহিত করছে ভারতের মুসলিমদের । প্রয়োজনে অর্থ সাহায্য ও নানান অছিলায় মিথ্যা বিবৃতিতে তাদের সমাজবিরোধী কাজে লিপ্ত করছে একতার নামে । ২৮) আবাদির ৩০শতাংশে পৌঁছানোর পর সময় আসে তারা কাফের দেশের উপর যেন কব্জা করে । কারণ সংগঠিত ৩০ শতাংশ ভোট পৃথিবীর যে কোন লোকতান্ত্রিক দেশে যথেষ্ট সরকার বানাতে বা গৃহযুদ্ধের মাধ্যমে দেশে কব্জা করতে । ২৯ ) এই সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না, যে মুসলিম পড়শি দেশ হামলা করলে এরা সেই পড়শি দেশের সাথে মিলে যায় এবং সঠিক সময়ে নিজের দেশেই গৃহযুদ্ধ লাগিয়ে , ট্রেন লাইন উপড়ে, জাতীয় সড়ক জ্যাম করে , সেনা বাহিনীর রসদ রোধ করে দেশের সেনাকে হারিয়ে দেওয়া যায় । এমন বহু বার আমরা দেখেছি , পাকিস্তানের পতাকা ভারতে উড়ছে ।৩০) সেনা হারলেই বিদেশী মুসলিমরা দেশের ভিতরে আসবে এবং যোগদানের অনুসারে তাদেরও এই দেশের ভাগ দিয়ে সাহায্য করতে হবে । যে নরহত্যা বাংলাদেশে,সোমালিয়া , পাকিস্তান , সিরিয়া,ইরাকে বিভিন্ন জায়গায় হয়ে ছিল তার পরিসংখ্যান ছাড়িয়ে যাবে । আর এর কারণ হবে আমাদের ধর্মনিরপেক্ষতার নামে মূর্খতা । ৩১) অমুসলিম দেশ মুসলিমদেশ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অন্য ইসলামী দেশের সঙ্গে এক হয়ে যাবে এবং ইসলামী দেশে কিকি হয় তা আমরা জানি সবাই তবুও বলব ।লেখা-সমীক্ষার ঃ- আপনি উপরোক্ত লেখা থেকে বুঝতেই পারছেন যে ভারত ইসলামী দেশ হওয়ার খুব বেশী দেরি নেই । সবথেকে মূল কারণ মুসলিম জনসংখ্যা হিন্দু , খ্রিস্টান , বা অন্য কোন জনসংখ্যার তুলনায় দ্বিগুণএর বেশী গতিতে বারা । এর জন্য দায়ী আমাদের সেক্যুলারবাদ যা ভারতে ইসলামিক রাষ্ট্র করতে বিশেষ ভাবে সাহায্য করছে । আপনি এটা বলতেই পারেন যে ঘোটালা , অপরাধ , ভ্রষ্টাচার এসব হিন্দুরাও করেন বরং কোথাও কোথাও তালিকার উপরের দিকে । কিন্তু হিন্দুরা ভ্রষ্টাচার করে হাতিয়ার তো কেনে না । বা সেই হাতিয়ার দ্বারা পাকিস্তানে বোমাবিস্ফোরণ তো করে না । হিন্দু রা পরিকল্পিত ভাবে রাষ্ট্রের কথা না ভবে আবাদি তো বাড়ায় না । মুসলিমরা প্রত্যক পদক্ষেপ ধর্মের কথা ভেবে রাখে এবং যার শেষ লক্ষ ইসলামিকরণ । ভ্রষ্ট হিন্দুর, হিন্দু রাষ্ট্রে হোক বা না হোক তাতে কোন যায় আসে না । আপনি এটাও ভাবেন যে এই দেশের মুসলিমরা ও দেশের জন্য অনেক বলিদান দিয়েছেন । সেই অনেকের তালিকা হঠাৎ কমে আসে যখন আপনাকে নাম জিজ্ঞাসা করি । এ নিয়ে বিচার করলে এবং সত্য টাকে জানার চেষ্টা করলে দেখি তারা মুসলিম ছিলেন নি না … যেমন আজিম প্রেমজি , আব্দুল কালাম , আসফাকউল্লা খান ইনি তো আর্য সমাজ সেবক ছিলেন এবং হিন্দু রাষ্ট্রকেই সমর্থন করতেন । মুসলিমরা যত যোগদান দেশের জন্য দিয়েছিলেন তার বেশিরভাগই ছিল দেশ ভাগের জন্য । যার পরিণাম ছিল পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ । এদের গতিবিধির দিকে নজর রাখুন সবই টের পাবেন

  • Anonymous

    প্রতেক দেশের প্রকৃতি আলাদা আলাদা। সে বাংলাদেশ হোক বা ভারত। ১) আগেকার মুসলিমরা নয় সব ধর্মের লোকেদের আনেক গুলো করে সন্তান থাকত। এটা ছিল জন্মনিয়ন্ত্রন এর সচেতনতা না থাকার জন্য। ২)আপনি কোন সমাজে থাকেন এ পি যে আব্দুল কালাম, এ র রহমান, চাচা নেহেরু, নজরুল ইসলাম এদের কে আপনারা কি বলবেন অশিক্ষিত? ৩) সারা ভারতে কতজন মুসলিম ট্যানারী ব্যবসার সাথে যুক্ত এছারা কি আর কোনো কাজ করে না। আপনারা হয়তো এদের নাম শুনে থাকবেন Azim Premji, Yusuf Khwaja Hamied (Chairman, Cipla. ), B. S. Abdur Rahman (Billionaire. Vice-Chairman of Dubai based ETA Star Group),M. A. Yousuf Ali( Non-resident Indian businessman hailing from Nattika in Thrissur district of Kerala. He is the Managing Director of Abu Dhabi-headquartered EMKE Group of companies that owns the Lulu Hypermarket chain in Middle East., Habil Khorakiwala ( Wockhardt was found by Habil Khorakiwala in the early 1960s, a pharmaceutical and biotechnology company headquartered in Mumbai, India. The company has manufacturing plants in India, UK, Ireland, France and US, and subsidiaries in US, UK, Ireland and France.)(Chairman, [1] )। ভারত প্রতেক বছর আনেক বিদাশী মুদ্রা আর্জন করে চামড়া রপ্তানি করে। যা ভারতের আর্থনিতিতে যোগদান ট্যানারির । ৩) মুসলিমরা বাদে কী বাকিরা সবাই নিরামিষ খাদ্য গ্রহণ করেন। আরা শুধু তাদের জন্য অন্ন ও পানীয় জলের সংকটের মূল কারণ কি করে হয়। ৪) আমার জানা একটা ঘটনা আছে যা আমার বন্ধুর সাথে ঘটেছিল। তাকে পড়াশুনার জন্য বাইরে থাকতে হবে বলে বাড়ি ভাড়া খুজছিল । এক বাড়িতে তার ঘর ভাড়া ঠিক হয়। পরে যখন জানল সে মুসলিম তাকে থাকতে দিল না। ইসলাম মূল হল শান্তি। যারা এর অপব্যখ্য করেন তারা হয় জানেন না বা ইছে করে করেন। ৫) যারা দূর্নিতি করে তাদের কোনো ধর্ম হয় না। সে যেই হোক না কেন । সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেন, সাহারা কর্তা সুব্রত রায় , মন্ত্রী কানা মেজি এরাও তো ভারতের টাকা বাইরে পাঠীয়েছে। ইসলামে ধর্ষনকারী দের মৃত্যু এর নির্দেশ আছে । ৬) ইসলাম ধর্ম কক্ষনো বিনা কারণে কাউকে আঘাত করা বা কাউকে হানী করার নীতি তে চলেনা। যারা বিস্ফোরন করে নির্দোশ লোকেদের হ্যতা করে তারা ইসলাম এর আর্দশে চলেনা। তারা শুধুমাত্র অমানূষ ছাড়া কিছু বলা যাবে না। ৭) ভারতে যে সংখ্যক বাংলাদেশী মুসলিম ভারতে এসেছে তার থেকে বেশি সংখ্যক আন্য ধর্মের মানুষ এসেছে আর তারথেকেও বেশী মুসলিম মানুষ ভারত ভাগের সময় বাংলাদেশী হয়েছেন।
    অনেক কথা বলা হল আরো অনেক বলা যায়। এতে বির্তক আরো বারবে। সাম্প্রদায়িকতা প্রথম কাজে লাগিয়েছিল ইংরেজরা আর সেই রাস্তাতে হাঁটছে আজকের রাজনীতিবিদরা। কিন্তু সাধারন মানুষ কেন বুঝতে পারছেনা, যে আমরা যারা ধর্মের নামে নিজেদের মধ্যে হানা হানি করব। সব মনিষীরা বলেছেন ঈশ্বর এক ও অদ্বিতীয়। তাহলে তাদের সন্তানদের মধ্যে পার্থক্য কেন? আমারা যে খাবার খাই সেটা কোন ধর্মের লোক উৎপাদন করে জানিনা তবুতো তা আম আদের ক্ষুধা মেটায়। সব সমাজে কিছু পিছিয়ে পড়া লোক থাকে সে আদিবাসী হোক বা এস সি বা এস টি বা অন্যান্য যাই হোকনা কেন, তাদের দোষ গুলোকে ঠিক করার চেষ্টা করলে সেই অবস্থার পরিবর্তন হবে। তাদের কে ঘৃণার চোখে দেখলে হবে না। আপনারা ভাবেন হয়তো আমি কোন ধর্মের। আমার একটাই ধর্ম আমি মানুষ।

Leave a Reply

  

  

  

8 + three =

You can use these HTML tags

<a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>